নিজস্ব প্রতিবেদক:
জনসমুদ্র এড়াতে উপায় না পেয়ে সোমবার বেলা ৩টার পর থেকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিসি। যাত্রী ঢল ঠেকাতে মহাসড়কজুড়ে দেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের ব্যারিকেড।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রশাসনিক তৎপতায় কমায় শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটের ফেরিগুলোতে ছিল উভয়মুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। ফেরি চলাচল সীমিত থেকে বাড়িয়ে ১২টি সচল করতে বাধ্য হয় বিআইডব্লিউটিসি। গত ২-৩ দিন ধরে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ভিড় বেড়েই চলছিল। পরে রোববার রাত থেকে আবারো সীমিত করে মাত্র ৪টি ফেরি চালু রাখে বিআইডব্লিউটিসি। সোমবার সকালে এ রুট হয়ে যাত্রীদের ঢল নামে। একপর্যায়ে এ ঢল জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বাধ্য হয়ে সবকটি ফেরি চালু করে যাত্রী পারাপার করা হয়। যাত্রীরা পার হয়ে ঝুঁকি নিয়েই অনেকে রওনা হন। পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উভয় ঘাটেই যাত্রীরা পড়েন অবর্ননীয় দূর্ভোগে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ আর কয়েকগুন টাকা খরচ করে ওপাড় থেকে ঢাকা পর্যন্ত ও এপাড় থেকে বরিশাল, খুলনা, ভোলা, গোপালগঞ্জসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছাতে দেখা গেছে যাত্রীদের। ইজিবাইক, মাহিন্দ্রা, ভ্যান, মোটরসাইকেলে চড়েই যাত্রীরা যার যার স্থানে রওনা দেন। কিন্তু কোন কিছুতেই যাত্রী চাপ না কমায় বিকেলে সকল ফেরি পারাপার বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিসি। উভয় ঘাট সংযুক্ত সকল মহাসড়কে একাধিক স্পটে ব্যরিকেড দেয় পুলিশ ও প্রশাসন। কাঠালবাড়ি ঘাট সংলগ্ন শিবচরের দত্তপাড়া, পাচ্চর ও ঘাট এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড দেয়।
সুমন মিয়া নামের এক যাত্রী বলেন, ঢাকা থেকে ৬শ’ টাকা খরচ করে শিমুলিয়া ঘাটে এসে ফেরির জন্য ৪ ঘণ্টা আটকে ছিলাম। গাদাগাদির মধ্যে কোনরকমে পার হয়ে ১২শ’ টাকা ভাড়ায় বরিশাল যাচ্ছি। আগে জানলে আসতাম না।
বিআইডব্লিউটিসির কাঠালবাড়ি ঘাট ম্যানেজার আব্দুল আলিম মিয়া বলেন, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল তাতে ফেরি বন্ধ করার কোন বিকল্প ছিল না। কতৃপক্ষ অর্নিদিষ্টকালের জন্য ফেরি বন্ধ করেছে।
-এফকে