“নিশ্চুপ আমি নিশ্চুপ আমার মন”

মিলি সুলতানা, কুইন্স, নিউইয়র্ক থেকেঃ  আমি সোমবার থেকে শনিবার একটানা চাকরী করি। শনিবার ওভারটাইম। আমি আমেরিকার অন্যতম একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ফার্মাসিউটিকেলস কোম্পানীতে কর্মরত আছি। সকাল ছয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত চাকরী। অসম্ভব ব্যস্ত আমাদের কোম্পানী। বিভিন্ন সেক্টরে শত শত এমপ্লয়ী। শনিবার চাকরী করতে পছন্দ করি। কারণ প্রতি ঘন্টায় নির্দিষ্ট বেতনের দেড় গুণ বেশি টাকা উপার্জন
Complete Reading

মিলি সুলতানা, কুইন্স, নিউইয়র্ক থেকেঃ একদিন সন্ধ্যায় জামাইকা হিল সাইডের কারওয়ান বাজারে গেলাম তরি তরকারী মাছ মাংস কিনতে। সেখানে দেখা হয়ে গেল এক বড় আপার সাথে। ওই আপা কম্যুনিটির খুব পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি আমাকে দেখে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। পরিচয় করিয়ে দিলেন ওনার এক সহপাঠিনীর সাথে। ‘বেবী’ বলে মহিলার নাম ধরে ডাকলেন। লেমন কালার ব্লকের কাজ
Complete Reading

তাবাসুম নাজঃ কিছুদিন আগে আমার দেওরের মেয়ে ঋতির বিয়ে হল। ওর হলুদের ভিডিও দেখতে গিয়ে স্টোর রুমে কোন এক চিপায় পড়ে থাকা আমার নিজের বিয়ের ভিডিও এর কথা মনে পড়ে গেল। আদ্যিকালের ভি এইচ এস ক্যাসেট, এতোবছর অবহেলায় পড়ে থাকবার দরুন তাতে ফাঙ্গাসের দল নিশ্চয় ছেলেপুলে নাতিপুতি নিয়ে সুখে ঘরকন্না করছে। বিশ বছরের বেশি হয়ে
Complete Reading

মিলি সুলতানা, কুইন্স, নিউইয়র্ক থেকেঃ ভয়াল শীতের দাপটে নিউইয়র্কের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে যাচ্ছে। যখন চাকরীতে যাইনি তখন একরকমে সয়ে নিয়েছি। কিন্তু চাকরীতে জয়েন করার পর শীতের সাথে লড়াইতে পেরে উঠছিনা। ভারি জ্যাকেটে শরীর মুড়িয়েও রেহাই নেই। নেগেটিভ থ্রি টেম্পারেচার চলছে। শীতের সাথে প্রাণপণ লড়াই করে যাচ্ছে মানুষ। আবহাওয়া অধিদফতর থেকে বলা হল ১৯৬২ সালের পর
Complete Reading

ড. হেলাল মহিউদ্দীন, ম্যানিটোবা, কানাডা থেকেঃ ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) এবং অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় ম্যানিটোবায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য তিনদিনব্যপী বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান করা হয়। কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জনাব মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যবিশিষট কন্স্যুলার সেবা প্রদানকারী দল ৪ ডিসেম্বত হতে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশীদের
Complete Reading

মিলি সুলতানা, কুইন্স, নিউইয়র্ক থেকেঃ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নারী শ্রমিক পাঠানোর বিজ্ঞাপনে মৌসুমিকে দালালী করতে দেখে গা ঘিনঘিন করে উঠেছিলো আমার। গত সপ্তাহে এক সচিত্র প্রতিবেদনে দেখলাম বাংলাদেশের যেসব নারী মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে ইজ্জত হারিয়েছে। অনেকে সেসব দেশে চিরতরে হারিয়ে গেছে। ইজ্জত হারিয়েও তাদের আর স্বদেশে ফেরার সৌভাগ্য হয়নি। যারা ফিরে এসেছে তাদের নিজের লোমহর্ষক অনুভুতির কথা
Complete Reading

মিলি সুলতানা, কুইন্স, নিউইয়র্ক থেকেঃ ঘড়ির কাঁটা বিকেল চারটের কৌঠায় পৌঁছতে না পৌঁছতে হড়বড় করে সন্ধ্যে নেমে আসে। রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে গাড়িতে চেপে বসি। কত শত ভাবনার দুয়ার খুলে যায়। চেতনায় পাড়ি দিয়ে দূর দুরান্তে চলে যাই। বাসায় রেখে আসা আমার দুইছানার কথা ভাবি। তাদের মা কাজে যাবার পর থেকে বিরাট একটা ঝটকা লেগেছে তাদের।
Complete Reading

ফরিদা ইয়াসমীন জেসি, লন্ডন থেকেঃ শহরের বাবুদের কাছে আমাদের কথা পৌছায়নি, আমাদের কথা পৌছায়নি রাজা মহারাজাদের কাছে। জমিদার বর্গের জমিদারি সিমানার আওতায়ও আমাদের ঘরখানি নয়। আমরা গৈ গেরামে থাকি। আমরা বিশেষ শিশু। লার্ন এন্ড লিভ আমাদের স্কুল। আমরা কেরোসিনের হারিকেন আর লেন্ঠোনের আলোকে পার করি রাতের নিকষ অন্ধকার। আমরা কাদায় হাটি, পানিতে ভাসি। কৃষানির ঘরে
Complete Reading

ফরিদা ইয়াসমীন জেসি, লন্ডন থেকেঃ নেমন্তন্ন পেয়েও আজকাল সায় দিতে চায়না মন পার্টি পার্টি খেলায়। যেতে মন চায়না ঘোরোয়া বৈঠকে,সুগন্ধি আতপের গরম সাদা ভাতে মৌরালা মাছের ঝোল, আমাকে আর নাড়া দেয়না। আমার রুটি রুজিতেও আজকাল উদাসীন লাগে।জীবনটা যখন এতটাই নিয়তিনির্ভর। ভাবি আমরা থাকি অট্টালিকার পড়ে তোমরা থাকো রোদ বৃষ্টি ঝড়ে। মাহিবুর তোমার পাঠানো ছবি গুলো
Complete Reading

মিলি সুলতানা,কুইন্স,নিউইয়র্ক থেকেঃ আমার আম্মার রাজত্ব ছিল আমাদের গ্রামে। শরীরের ঘাম ঝরিয়ে নিজের হাতে গড়ে তুলেছেন মহাপরাক্রমশালী এক রাজপুরী। যে রাজপুরীতে আমরা চারবোন ছিলাম রাজকন্যা চারভাই ছিল রাজপুত্র। আম্মা তো সুশাসন ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সম্রাজ্ঞী ছিলেন। আজকের এই মিলেনিয়াম দশকে সেই সাম্রাজ্য বদলে গেছে। আব্বা পরলোকের মেহমান হয়ে গেছেন ৯৩ সালে। আব্বার অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্থানের কারণে
Complete Reading

Create Account



Log In Your Account